[:bn]টক -ঝাল -মিষ্টি [:]

[:bn]টক -ঝাল -মিষ্টি [:]

March 8, 2018

[:bn][] বাসে এক যাত্রী পাশের যাত্রীকে : দাদা ভ-অ -অবানীপুর এলে ব্ব-ও -ও লবেন তো একটু ।
বার তিনেক বলার পরও পাশে বসা যাত্রী নির্বিকার। ভবানীপুর এল, চলেও গেল। অন্যান্য যাত্রীই তাকে নামিয়ে দিল পরের স্টপে। তারপর সহযাত্রীকে নিয়ে পড়ল : কি লোক মশাই আপনি ? এত করে বলল ভবানীপুর এলে বলতে, এটুকুই বলতে পারলেন না ?
এবার সহযাত্রীর মুখ ফুটেল :ব্বো -ও-ও লে মরি আর কী ! উনি ভা-আব তেন না, আমি ভ্ -ভ্ -ভ্যা ভ্ঙাচ্ছি ? ত -হ-ওখন তো আবার–

[] স্বর্গের দেব সভায় ধর্না দিয়েছেন আধুনিক প্রমীলা- বাহিনী। প্রত্যেকে বিবাহিতা, সুশিক্ষিত, অবস্থা ভালো, স্বামীরা গণ্যমান্য স্তরের মানুষ। দেবরাজ ইন্দ্র এই প্রমীলা-বাহিনী দেখে মুগ্ধ। পৃথিবীর মেয়েরা এত সুন্দরী হয় জানা ছিল না ! নারী এবং সূরার প্রতি তাঁর আসক্তি প্রবল হয়ে আছে। কিন্তু এই সুন্দরীরা তো এসেছেন অভিযোগ নিয়ে, জানতে চাইলেন কি তাঁদের অভিযোগ। ‘সন্তানধারণের ক্ষেত্রে আমাদের প্রতি সেই আদিযুগ থেকে একচেটিয়া নির্যাতন চলে আসছে।’
‘ কীরকম ?’
‘সন্তান সংসারে আসে স্বামী-স্ত্রী দুজনের চেষ্টাতেই, তার প্রতি স্নেহ- ভালোবাসা বাবা-মার সমানই দেবরাজ, অথচ দশমাস প্রসব-যন্ত্রণা ভোগ করতে হয় শুধু মাকেই। এটা কি আমাদের ওপর অবিচার নয় দেবরাজ ?’
‘হ্যাঁ, এ কথাটা তো কোনোদিন ভাবিনি। তোমরা কি চাও এই যন্ত্রণা এখন থেকে স্বামীই ভোগ করুক ?’
‘হ্যাঁ, প্রভু।’
‘তথাস্তু। এখন থেকে তাই হবে, যাও।’
সন্তুষ্ট রমণীর দল ফিরে এলেন মর্ত্যে। কিছুদিন পরেই মিসেস গড়গড়ি বুঝতে পারলেন তিনি কনসিভ করেছেন। কোম্পানি এগ্জিকিউটিভদের গেট টুগেদার ছিল– প্রচুর খাওয়া দাওয়া হয়েছে, মজা হয়েছে, ঢলাঢলি হয়েছে, তখনই হয়েছে ব্যাপারটা। প্রায় মাসখানেক পরে আবার একটা পার্টি ছিল। মিসেস গড়গড়ি মহাখুশি, একেবারে স্বাচ্ছন্দে হাসি ঠাট্টা করছেন সকলের সঙ্গে, গর্ভযন্ত্রণার কোন চিহ্নই নেই কোথাও। হঠাৎই প্রচন্ড আর্তনাদ ! ড্রিঙ্কসের গ্লাস হাতেই যন্ত্রণায় কোকিয়ে উঠে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন—
না, মি.গড়গড়ি নন , মিস্টার পাল চৌধুরী।

[]  অতিষ্ঠ হয়ে স্ত্রী শেষ পর্যন্ত শরণাপন্ন হলো এক প্রাইভেট ডিটেকটিভের, বলল, ‘স্বামীর সঙ্গে এখন আমার দেখাই হয় না। সে যে কোথায় কোথায় ঘুরে বেড়ায় কে জানে ?
‘কেন ? তিনি কি আপনাকে পছন্দ করেন না ?’
‘ একেবারেই না, তিনি পছন্দ করেন আমার বাবার টাকা। প্রচুর গয়না-গাটি দিয়েছেন বাবা, সব একে একে বেচে দিয়েছে। এটা ওটা বলে বাবার কাছ থেকে হাতিয়েছেও অনেক টাকা। সব ঢেলেছে মেয়েবন্ধুদের পেছনে, তারপরই হাওয়া, কোন পাত্তা নেই। একটা উচ্ছৃংখল, লোফার , বদমাশ–‘
‘আপনি চান আমি তাকে ধরে এনে দিই ?’
‘হ্যাঁ, তারপর যা করার আমি করব। এ জন্য কত দিতে হবে বলুন আপনাকে।’
‘ হাজার দশেক দিলেই হবে।’
‘কোনো ব্যাপার নয়, আজই কাজে লেগে পড়ুন। আমি যে কোন বয়ফ্রেন্ড-এর কাছে চাইলেই টাকাটা পেয়ে যাব।’

[]   ‘তোমার বউ যে প্রচন্ড মিথ্যেবাদী আর অসৎ সেটা তুমি বুঝলে কি করে ?’
‘কি করে মানে ? কাল সারা রাত্তিরই আমি ছটফট করেছি ও কখন ফিরবে সে কথা ভেবে ভেবে।’
‘ ফেরেনি সারা রাত ? জানায়ওনি কিছু ?’
‘জানিয়েছে অনেক পরে, ও নাকি ওর বন্ধু রিংকির কাছে গিয়েছিল, সে এমন করে ধরেছে যে রাতে আসা সম্ভব নয়।’
‘ হতেই পারে, সে জন্য মিথ্যেবাদী আর অসৎ বলাটা কি ঠিক ?’
‘আলবৎ ঠিক। বউ আসেনি বলে সারা রাত আমায় সান্তনা দিয়ে রিঙ্কি তো সবে বেরিয়ে গেল আমার কাছ থেকে ভোরবেলা।’

হর্ষবর্ধন

[:]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Contact Us

(033) 23504294

rajika.mazumdar@gmail.com

21, Jhamapukur Lane, Kolkata - 700 009.

Book Shop

View All